শাহ আহমদ শফী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
হেফাজতে তেতুল

আল্লামা শাহ আহমদ শফী একজন বিশিষ্ট ইসলামী কান্ডারী, উপমহাদেশের আলেমকুল শিরোমনি, ৯০ বছর বয়স্ক এই ব্যক্তি একাধারে বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এর চেয়ারম্যান, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসার মহাপরিচালক এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর।

জন্ম ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

আহমদ শফীর ১৯৩০ সালে, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়ার টিলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন, সেই থেকে উনার মন পাখি পাখি করে। উনি বাঁশে ঝাড়ে ডালে ঘুরিয়া বেড়ান দীর্ঘ দিন। এর পর তিনি দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় ভর্তি হন। ২০ বছর বয়সে (১৯৫১ সালে) তিনি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় ভর্তি হন। [১][২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

যুবা বয়সে তিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ইংরেজ পোঁদাও’ আন্দোলনে আলেমদের জন্য দূর্গ বানান। ওই সময় তিনি শায়খুল আর, আল্লামা আহমাদ মাদানর হাতে বায়আত গ্রহণ করে অল্প সময়েই তিনি খেলাফতের পরশ পাথরের অলৌকিক স্পর্শে তুরস্কের খলিফা বনে যান। সেখান থেকে জালিম বার্মা বৌদ্ধদের শায়েস্তা করার জন্য রেঙ্গুনের উদ্যেশে যাত্রা করেন। মাঝ পথে টেনিস বল সাইজের মশার কামড় খেয়ে ডেঙ্গু বাধিয়ে ঢাকার লালবাগে আশ্রয় নেন। [৩]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

রেঙ্গুন যাত্রা বিরতি পথে মতিঝিলের অবস্থান কালে তার তেতুলে খাইবার জন্য মন আনচান করিতে লাগিলে লালবাগ হইতে লালা ফেলিতে ফেলিতে রাঙ্গুনিয়া গিয়া দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে অনতিবিলম্বে তেতুলের যোগান ব্যবস্থা করিতে বলেন।।

তবে আহমদ শফীর সংগঠন হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, আহমদ শফীর বক্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Reflist